Social Engineering কে বলা হয়এ যাবৎ কালের সবচেয়ে সহজ এবং শক্তিশালী হ্যাকিং মেথডগুলোর একটি । একে অনেক সময় Mind Hacking বলা হয়ে থাকে । এখানে Psychology খুবই গুরুত্বপূর্ণ । অন্যান্য হ্যাকিং মেথড এর সাথে complex করা হলে এটি মারাত্মক রূপ ধারন করে ।
একটি উদাহরন দিলে Social Engineering সম্পর্কে আপনার ধারনা হবে ।
ধরুন আমি জানি আপনার বিকাশ একাউন্ট আছে । এও জানি আপনার কোন নম্বর থেকে বিকাশ খোলা আছে । আমি 247 নাম্বারটিকে spoof করে আপনাকে ফোন করলাম। বললাম,”আমি বিকাশ থেকে বলছি। আপনার নম্বর 01********* থেকে বিকাশ একাউন্ট খোলা হয়েছে। আমরা আপনার পরিচয় নিশ্চিত করতে চাই। দয়া করে আপনার Pin Code বলুন।”
এখানে আপনি আমাকে বিশ্বাস করতে বাধ্য এবং আপনার Pin Code টি নির্দ্বিধায় বলবেন । ব্যাস .................... বাকিটুকু ইতিহাস ।
এখানে আপনি আমাকে বিশ্বাস করতে বাধ্য এবং আপনার Pin Code টি নির্দ্বিধায় বলবেন । ব্যাস .................... বাকিটুকু ইতিহাস ।
শুধু ফোন কল নয়, Phising Site দিয়ে Facebook কিংবা Gmail হ্যাকিংও Social Engineering এর পর্যায়ে পড়ে । Spam করে লটারি জেতার লোভ দেখিয়ে Credit Card হ্যাকিং এই পদ্ধতির উত্তম ব্যবহার । আশা করি এর Basic ধারনা পেয়েছেন । এবার নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ-
এখানে কিভাবে একজন Social Engineer একজন বাংলাদেশি সাংবাদিকের Password পরিবর্তন করে দিলেন ; তা না দেখলে হয়তো বিশ্বাস করতেন না । শুধু তাই নয় , তিনি সাংবাদিকেই ব্লক করে দিলেন ।
সাংবাদিক সম্পর্কে তার প্রয়োজন হয়েছিল মাত্র ২ টি তথ্য।
এই ছিল Social Engineering এর প্রাথমিক ধারনা । এ জাতীয় Attack থেকে বেচে থাকার একটাই উপায় , আর তা হলো সচেতন থাকা।
নিজ সম্পর্কে বেশি তথ্য দিবেন না । ভুয়া খবরে বিশ্বাস করবেন না । সবসময় সকল কিছু কে যাচাই করতে শিখুন । নিজ সচেতন থাকুন এবং অন্যকে সচেতন থাকতে পরামর্শ দিন ।
Comment করে আপনার মতামত জানান । আগামী পোষ্টে জানাবো আধুনিক Social Engineering সম্পর্কে ।
No comments:
Post a Comment